বর্তমানে আর্টিকেল ইউনিকনেস বিষয় টা এসইও টার্ম এর ক্ষেত্রে এবং গুগলের চোখে আর্টিকেলটি কোয়ালিটি সম্পন্ন কি না তা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এই আর্টিকেল ইউনিকনেস টা কি? অনেকেই ভাবে কপি না করলেই, Plagiarism টুলে ইউনিক দেখালেই সেটা ইউনিক।
কিন্তু আসলে তা না নয়। ইউনিকনেস হচ্ছে আপনি আপনার কন্টেন্ট এ এমন কি তথ্য এড করেছেন যা ইউজার রা আর অন্য কোথাও পাবে না।
এই যে আপনি এমন সব প্রয়োজনীয় এবং হেল্প-ফুল তথ্য এড করলেন যা ইউজার রা অন্য কোথাও পাবে না এটা আপনাকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে দিল, গুগলের চোখে আপনাকে ভ্যালুবল করে তুলল।
একজন রাইটার হিসাবে বিভিন্ন আর্টিকেল পরে সেগুলোই নিজের মত করে লিখে দিয়ে Plagiarism টুল দিয়ে ইউনিক বানানো যায়, এবং এবং খুব সুন্দর ভাবে স্মার্টলি লিখে দিলেন।
কিন্তু এরপরেও আপনার আর্টিকেল লো-কোয়ালিটি হিসেবেই কাউন্ট হবে যদি আপনি দুনিয়ার সেরা রাইটার দিয়েও লিখান।
যেসব ইনফো সব জায়গাতেই পাওয়া যায় তা আপনি তুলে দিলে এক্সটা কোন ভ্যালু এড হল না।
এখন নতুন জিনিস কারা এড করতে পারবে? যারা ওইসব বিষয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা রাখে।
দিন দিন প্রতিযোগিতা বাড়ছে, এখন গুগল চায় সত্যিকারের এক্সপার্টদের দেওয়া তথ্যগুলোই প্রাধান্য পাক।
তাই র্যাংকে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে চাইলে ইউনিক কন্টেন্ট দিন, এমন সব ভ্যালু এড করার চেষ্টা করুন যা অন্য কেও দিচ্ছে না।
প্রিয় পাঠক, আশাকরি আবিস্কার আইটির এই পর্বটি আপনার কাছে ভালো লেগেছে। পরবর্তী আর্টিকেলে এসইও বিষয়ক আরো আলোচনা করা হবে ইনশাআল্লাহ।

No comments:
Post a Comment